🖍️প্রোটিনের সংজ্ঞা
👉জীবদেহে প্রোটোপ্লাজমের গঠন ও বৃদ্ধির জন্য যে জৈব যৌগ কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকে গঠিত হয় তাকে প্রোটিন বলে।
অনেক সময় প্রোটিনে সালফার এবং ফসফরাস ও থাকে। প্রোটিন হলো পেপটাইড বন্ধনী দ্বারা আবদ্ধ একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিডের শৃঙ্খল।
🖍️প্রোটিনের শ্রেণীবিভাগ
👉সরল প্রোটিন
👉সংযুক্ত প্রোটিন
👉লব্ধ প্রোটিন
🖍️সরল প্রোটিন
👉যেসব প্রোটিন কেবলমাত্র অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত তাকে সরল প্রোটিন বলে। যেমন অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, প্রোটামিন ইত্যাদি।
🖍️সংযুক্ত প্রোটিন
👉যেসব সরল প্রোটিন এর সঙ্গে অ্যাপ্রোটিন অংশ যুক্ত থাকে তাকে সংযুক্ত প্রোটিন বলে। উদাহরণ হিমোগ্লোবিন, হিমোসায়ানিন, লাইপোপ্রোটিন ও গ্লাইকো প্রোটিন ইত্যাদি।
🖍️লব্ধ প্রোটিন
👉প্রোটিনের পরিপাকের ফলে উৎপন্ন প্রোটিনজাত অংশকে লব্ধ প্রোটিন বলে। যেমন মেটাপ্রোটিন, প্রোটিওজ, পেপটোন, পলি পেপটাইড ইত্যাদি।
🖍️প্রোটিনের উৎস
👉প্রাণিজ প্রোটিনের উৎস- মাছ মাংস ডিম দুধ ইত্যাদি ।
👉উদ্ভিদ প্রোটিনের উৎস- ডাল সয়াবিন গম ইত্যাদি।
🖍️প্রোটনের পুষ্টিগত গুরুত্ব
👉দেহের বৃদ্ধি ক্ষয় পূরণ কোষ গঠন প্রভৃতি প্রোটিন পুষ্টির ফলে হয়ে থাকে।
👉বিভিন্ন প্রকার উৎসেচক ও হরমোন প্রোটিন থেকেই তৈরি হয়।
👉প্রোটিন পুষ্টি দেহের তাপশক্তি উৎপাদন করে । এক গ্রাম প্রোটিন দহনে 4.2 Kcal তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়।
👉প্রোটিন অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিডের যোগানোর দেয়।
👉দেহে নাইট্রোজেনের ভারসাম্য বজায় রাখে।
